দেশে ১৫ লাখ চাকরির সুযোগ তৈরি করেছে আড়াই হাজার স্টার্টআপঃ পলক

২৪ মে, ২০২৪ ১৭:৫৬  

ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি সম্মেলনে বাংলাদেশের ১২ স্টার্টআপ

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে চলছে ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্টার্টআপ এবং প্রযুক্তি ইভেন্ট ভিভাটেক। বিভিন্ন উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে প্রথমবারের মতো এই ইভেন্টে অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশের ১২টি স্টার্ট-আপ। চার দিন ব্যাপী এই ইভেন্টে দেশের প্রথম সারির টেক ও সফটওয়্যার কোম্পানি, রাইজআপ ল্যাবস ব্রেন স্টেশন ২৩, বি.জে.আই.টি লিমিটেড ও আস্থা আইটি সহ উদীয়মান বাংলাদেশ স্টার্টআপ কোম্পনিগেলো দেশের পতাকা বহন করছে। এ.আই, ওয়েব ৩.০, সাইবার সিকিউরিটি, অটোমেশন এবং বিভিন্ন সব যুগান্তকারী উদ্ভাবন প্রদর্শনীর পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরাও অংশ নিয়েছেন এই সম্মেলনে।

টেকটাইকুন ইলন মাস্ক, গুগল’র সহ প্রতিষ্ঠাতা এরিক স্মিথ, আমাজন সিটিও ওয়ারেন ভগেলস, মেটার চিফ এআই সাইন্টিস্ট ইয়ান লিকুন, শপিফাই প্রেসিডেন্ট হার্লি ফিঙ্কেস্টেইনদের এই আসরে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন ভিভাটেক নিউজের রিপোর্টার মি. লুক ব্রাউন এর সাথে সাক্ষাৎকারে এসব প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঠিক দিক-নির্দেশনায় খুব অল্প সময়ে বাংলাদেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশে প্রায় আড়াই হাজার স্টার্টআপ রয়েছে, যা আইসিটি সেক্টরে ১.৫ মিলিয়ন (১৫ লাখ) চাকরির সুযোগ তৈরি করেছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের স্টার্ট-আপগুলি তাদের উদ্ভাবনী ধারণার মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যার সমাধান করছে। আমরা এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, মাইক্রোচিপ ডিজাইন এবং সাইবার নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তির সঙ্গে আমাদের স্টার্টআপগুলোকে যুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছি।

লুক ব্রাউনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গত ১৫ বছরে ১৩০ মিলিয়ন ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস প্রদান করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। আইসিটি খাতে রপ্তানি আয় ২৬ মিলিয়ন ডলার থেকে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৭ লাখ সক্রিয় আইটি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে, যারা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করছে। দেশের প্রায় ২,৫০০টি সরকারি পরিষেবা ডিজিটাইজ এবং ৫২,০০০ ওয়েবসাইট তৈরি করা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্কুল-কলেজে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন কম্পিউটার ল্যাব এবং স্কুল অব ফিউচার স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে দেশের তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা হচ্ছে। এই সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ভিশন ২০৪১: স্মার্ট বাংলাদেশ’- বাস্তববায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা।